Welcome to my information site

Best information site

Saturday, 1 December 2012

মার্কিন প্রেসিডেন্টদের যত কেলেঙ্কারি:

ওয়াটারগেট:
যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সদর দফতর ওয়াশিংটনের ওয়াটারগেট নামক স্থানে। ১৯৭২ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় ওই সদর দফতরেই ডেমোক্র্যাটিক দলের নির্বাচনী প্রচারণা, পরিকল্পনা এবং অন্যান্য আলাপ-আলোচনা করা হতো। কালীন ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান দলের প্রার্থী ছিলেন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিঙ্ন। আর ডেমোক্র্যাটদের সব নির্বাচনী পরিকল্পনা নিঙ্ন তার সহযোগীরা আড়ি পেতে শোনা এবং টেপ করে নেওয়ার যে নোংরা পদ্ধতি অবলম্বন করে তা পরবর্তীতে ফাঁস হয়ে যায়। এতে বিশ্বজুড়ে হৈচৈ শুরু হয়। সবাই এমন কীর্তির জন্য প্রেসিডেন্ট নিঙ্নের তীব্র সমালোচনা করেন। এরই ফলশ্রুতিতে ১৯৭৪ সালের আগস্ট নিঙ্ন প্রেসিডেন্টের পদ ত্যাগ করতে বাধ্য হন। ভিয়েতনাম শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর, মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তিপ্রচেষ্টা এবং রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কোন্নয়নসহ আরও অনেক সাফল্যজনক কাজ থাকলেও এই ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারি নিঙ্নের রাজনৈতিক জীবনের এক কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে রয়ে যায়। তবে ঘটনার ৩৬ বছর পর এবং মৃত্যুর ১৭ বছর পর এই কেলেঙ্কারির অভিযোগ থেকে মুক্তি পান তিনি। ইতিহাসবেত্তা স্ট্যানলি কাটলারের এক অনুরোধে বিচারক রইস ল্যামবার্থ বহুল আলোচিত ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির ঘটনায় সাবেক প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিঙ্নের দেওয়া সাক্ষ্যের নথিপত্র প্রকাশ না করায় নিঙ্নকে অভিযোগ থেকে মুক্তি দেন ওই বিচারক।

মনিকাগেট:
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আলোচিত নারী কেলেঙ্কারির ঘটনাটি ঘটে প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের সময়।

উইলিয়াম জেফারসন ক্লিনটন ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪২তম প্রেসিডেন্ট। তিনি বর্তমান ওবামা প্রশাসনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের স্বামী। তিনি ক্ষমতায় থাকাকালে ১৯৯৮ সালে মনিকা লিউনস্কির সঙ্গে যৌন কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে দারুণ বিপাকে পড়েছিলেন। ১৯৯৫ সালে মনিকা লিউনস্কির বয়স যখন ২২ বছর তখন ক্লিনটনের সঙ্গে তার সম্পর্ক তৈরি হয়। তাদের প্রেম বিশ্বব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি করে।

প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের সঙ্গে হোয়াইট হাউসের কর্মচারী মনিকা লিউনস্কির রসালো প্রেম কাহিনী জনসমক্ষে প্রকাশিত হওয়ার পর সবাই নড়েচড়ে বসেন। কারণ ওটাই ছিল ক্ষমতাসীন কোনো প্রেসিডেন্টের এরকম নারী কেলেঙ্কারির প্রথম ঘটনা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনকে ইমপিচমেন্টের মুখোমুখি হতে হয়েছিল। তিনি যা করেছেন তা যদিও বেআইনি নয়। কেননা লিউনস্কি প্রাপ্তবয়স্কা। দুজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ মহিলার সম্পর্ক হয়ে উঠতেই পারে। ক্লিনটনের বিষয়টি যতটা না ছিল স্ক্যান্ডাল, তার চেয়ে অনেক বেশি চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছিল রাজনৈতিক অঙ্গনে। তবে রাজনৈতিক চড়াই-উতরাইয়ে যতটা না বেগ পেতে হয়েছে, সে রকমটা হয়নি সাধারণ মানুষের বেলায়। আশ্চর্যজনকভাবে মার্কিন জনগণ ছিল ক্লিনটনের প্রতি দারুণ সহানুভূতিশীল। কারণ সে সময় মার্কিন অর্থনীতির অবস্থা ছিল খুবই ভালো এবং বেকারত্বের হার ছিল নূ্যনতম পর্যায়ে। ফলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে একটা পজিটিভ রেসপন্স আদায় করে নিতে পেরেছিলেন ক্লিনটন।

১৯৯৫ সালে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে চাকরি পায় লুইস এবং ক্লার্ক কলেজ গ্র্যাজুয়েট সুন্দরী মনিকা লিউনস্কি। প্রেসিডেন্ট ক্লিনটন তখন সপরিবারে এই রাজকীয় প্রাসাদে বাস করতেন। ২২ বছরের সুন্দরী মনিকার সঙ্গে অল্প সময়ের মধ্যেই সখ্য গড়ে ওঠে প্রেসিডেন্ট ক্লিনটনের। এক পর্যায়ে দুজনের মধ্যে প্রণয়ের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গভীর প্রণয় চলাকালে মনিকা এবং ক্লিনটন নিয়মিত অভিসারে মিলিত হতেন। তাদের প্রেম এতটাই রসালো ছিল যে তারা হোয়াইট হাউসেই বার গোপন অভিসারে লিপ্ত হন। তার চেয়ে আশ্চর্যের বিষয় এর মধ্যে পাঁচবার রকম অভিসারের সময় ক্লিনটনের স্ত্রী হিলারি ক্লিনটন হোয়াইট হাউসেই ছিলেন। কিন্তু তাদের অভিসারের খবর হিলারি তো দূরের কথা কাকপক্ষীও টের পায়নি। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে চাকরির সুবাদে মনিকার সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে তার সহকর্মী লিন্ডা ট্রিপের। আলাপচারিতার এক পর্যায়ে মনিকা তার বিশ্বস্ত বন্ধু সহকর্মী লিন্ডাকে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তার গোপন অভিসারের কথা জানান। ট্রিপ মনিকাকে সংক্রান্ত প্রমাণ ধরে রাখতে নানা পরামর্শ দেন। এখানেই ভুলটা করে বসেন মনিকা। গোপন কথা গোপনই রাখতে হয়।

এই স্ক্যান্ডালের খবর প্রথম প্রকাশ্যে আসে ১৭ জানুয়ারি ১৯৯৮ সালে ড্রাজ রিপোর্ট ওয়েবসাইটে। বছরেরই ২১ জানুয়ারি দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট তাদের প্রধান প্রতিবেদন হিসেবে এই স্ক্যান্ডালের খবর প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে জনগণের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। উপায়ান্তর না দেখে ক্লিনটন স্ত্রী হিলারিকে সঙ্গে নিয়ে হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে সব অস্বীকার করেন। মনিকাও দাবি করেন যে ঘটনা মিথ্যা এবং ট্রিপ ব্যক্তিগত স্বার্থ উদ্ধারের জন্য অভিযোগ উপস্থাপন করেছেন। এদিকে ট্রিপের কাছে মনিকা এবং ক্লিনটনের প্রেমালাপের গোপন টেপ সংরক্ষিত ছিল। বাধ্য হয়ে ট্রিপ সেটা তদন্ত কর্মকর্তা কেনেথ স্টারকে প্রদান করেন। কেনেথ এটি পরীক্ষা করে বলেন, ঘটনা সত্য। অন্যদিকে নিরুপায় হয়ে মনিকা গ্র্যান্ড জুরির কাছে তার সঙ্গে ক্লিনটনের শারীরিক সম্পর্ক থাকার কথা স্বীকার করেন এবং তার কাছে সংরক্ষিত নীল বস্ত্র তদন্ত কর্মকর্তাকে প্রদান করেন। তদন্ত কর্মকর্তা এই নীল বস্ত্র পরীক্ষা করে বলেন, অভিযোগ সম্পূর্ণ সত্য এবং ক্লিনটনের দাবি মিথ্যা। অতঃপর বিচারক সুসান ডি ওয়েবার মিথ্যা কথা বলার জন্য প্রেসিডেন্টকে ৯০ হাজার ডলার জরিমানা করেন।

ঘটনা সত্য প্রমাণিত হওয়ার পর সিনেট সদস্যরা প্রেসিডেন্টের নৈতিক মান নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাকে ইমপিচমেন্টের দাবি করেন। ক্লিনটনের ডেমোক্র্যাটিক পার্টির অনেক সদস্য বিরোধী রিপাবলিকানরা দাবি সমর্থন করেন। ফলে সিনেটে বিষয়ে ২১ দিন ধরে তুমুল বিতর্ক হয়। অবশেষে ভোটাভুটিতে ক্লিনটন জয় লাভ করেন। অর্থা যাত্রায় প্রেসিডেন্ট ইমপিচমেন্টের হাত থেকে রক্ষা পান। হিলারি ক্লিনটন পুরো ঘটনায় স্বামীর পাশে থেকে স্বামীর মনোবল জোগান। পুরো ঘটনাটি মার্কিন ইতিহাসে মনিকাগেট কেলেঙ্কারি হিসেবে পরিচিত।

টিপট গম্বুজ:
মার্কিন প্রেসিডেন্টদের আরেকটি কেলেঙ্কারি ছিল টিপট গম্বুজ শীর্ষক স্ক্যান্ডালটি। এটি ছিল ওয়ারেন জে হার্ডিং প্রশাসনের একটি বড় ধরনের দুর্নীতির ঘটনা। ১৯২১ সালে হার্ডিঞ্জ নৌ তেল সংরক্ষিত এলাকার নিয়ন্ত্রণ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্থানান্তর করেন। [পরবর্তীতে অবশ্য সুপ্রিমকোর্ট রুল জারি করে সেটি স্থগিত করেন] হার্ডিঞ্জের সিদ্ধান্তের পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সেক্রেটারি আলবার্ট বি ফলস তার নতুন ক্ষমতাকে ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির জন্য ব্যয় করেন। তিনি ম্যামথ তেল কোম্পানিকে টিপট গম্বুজটির দায়িত্ব হস্তান্তর করেন বিপুল পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে। ঘটনা খুব বেশি দিন চাপা থাকেনি। ১৯২৪ সালেই ঘটনা দুনিয়ার কাছে ফাঁস হয়ে যায়। যদিও এর আগেই হার্ডিঞ্জ দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন, তারপরও অফিস সেটি খুব ভালোভাবেই গ্রহণ করে এবং কেলেঙ্কারিটি বিশ্বজুড়ে দারুণ আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি করে।

ইরান-কন্ট্রা:
১৯৮৭ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গোপনে ইরানের কাছে বেশ কিছু অস্ত্র বিক্রি করে এবং তা থেকে প্রাপ্ত অর্থ নিকারাগুয়ার কালীন সরকারবিরোধী কন্ট্রা বিদ্রোহীদের কাছে পাচার করে। যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভর্তি প্রথম বিমানটি ১৯৮৭ সালের আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে ইসরায়েলের মাধ্যমে ইরানে পেঁৗছানো হয়। কেলেঙ্কারির কারণে কিছু উচ্চপদস্থ মার্কিন কর্মকর্তা প্রশাসন থেকে বিদায় নেন। তাদের মধ্যে কালীন প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র ল্যারি স্পিকস, রাজনৈতিক পরিচালক মিথ ড্যানিয়েল, সিআইএ প্রধান উইলিয়াম ক্যাসি, হোয়াইট হাউস কমিউনিকেশন ডিরেক্টর প্যাট্রিক বুচানন, স্টাফ প্রধান ডোনাল্ড রিগ্যান, নিরাপত্তা উপদেষ্টা ম্যাকফার্লেনও ওই কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। কালীন প্রেসিডেন্ট রিগ্যান সিনেটর জন টাওয়ার কর্তৃক গঠিত তদন্ত কমিশনের প্রদত্ত রিপোর্টে বলা হয়, পদচ্যুত জাতীয় নিরাপত্তা সহকারী অলিভার নর্থ সব পরতার নায়ক ছিলেন। অবশ্য পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট রিগ্যান স্বীকার করেন, ইরানে মার্কিন জিম্মিদের মুক্তির বিনিময় তিনি গোপনে চুক্তি অনুমোদন করেছিলেন। এটি যে ভুল ছিল তা তিনি নিজেই পরবর্তীতে স্বীকার করে নেন।

হুইস্কি রিং:
১৮তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইউলিসিস এস গ্রান্টের সময়কে ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্নীতিপরায়ণ বলে মনে করা হয়। তার শাসনামলে [১৮৬৯-১৮৭৭] মার্কিন ইতিহাসের দুটি বড় ধরনের কলঙ্কজনক ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে দ্বিতীয়টি ছিল হুইস্কি রিং স্ক্যান্ডাল। আর এই স্ক্যান্ডালের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ইউলিসিস এস গ্রান্টের মন্ত্রিসভার অনেক সদস্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এমনকি তার ব্যক্তিগত সহকারী পর্যন্ত জড়িত ছিলেন। হুইস্কি ডিস্ট্রিলারের মধ্যে কর ফাঁকি ঘুষ গ্রহণের কলঙ্কের ফলে প্রেসিডেন্টের যুদ্ধবিষয়ক সেক্রেটারি উইলিয়াম পদত্যাগে বাধ্য হন। প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধেও ইমপিচমেন্টের অভিযোগ ওঠে। কিন্তু এসব কিছু প্রমাণের আগেই তিনি পদত্যাগ করেন।

জেফারসন শেলি:
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের মতো অতটা আলোচিত রগরগে না হলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট টমাস জেফারসন শেলি হামিংয়ের মধ্যকার সম্পর্ক ছিল মার্কিন প্রেসিডেন্টদের মধ্যে প্রথম কোনো যৌন কেলেঙ্কারির ঘটনা। আর ঘটনাটি এমনই আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয় যে, সংক্রান্ত গল্প এখনো মানুষ চর্চা করে। ১৮০২ সালে জেফারসনের চাকরানি শেলী তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পর্ক স্থাপন একটি সন্তানের পিতৃত্ব রক্ষার দাবি নিয়ে হাজির হন। জেফারসন এসব কিছুই অস্বীকার করেন এবং পরবর্তী বছরের জন্য প্রেসিডেন্টের ক্ষমতায় আসীন হন। তখনও নিয়ে বিতর্ক চলছিল। সব বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে ১৯৯৮ ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শেলির অভিযোগটি প্রমাণিত হয় এবং জেফারসন শেলির একটি সন্তানের ভরণপোষণে বাধ্য হন।

ক্রেডিট মবিলিয়ার:
কেলেঙ্কারিটিও ১৮তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইউলিসিস এস গ্রান্টের সময়ের একটি ঘটনা। তার সময়ের অধিকাংশ ঘটনাই ছিল ভয়াবহ দুর্নীতির ঘটনা। আর এসব দুর্নীতির ঘটনার সঙ্গে সরকারের উচ্চ পদের অধিকাংশ কর্মকর্তাই জড়িত থাকতেন। ক্রেডিট মবিলিয়ারের ক্ষেত্রেও ঘটনা অন্যরকম ছিল না এটি ছিল প্রথম বড় ধরনের কেলেঙ্কারি, যা কিনা গৃহযুদ্ধের দামামা বাজিয়ে তুলেছিল। ১৮৬৭ সালের দিকে উচ্চপদস্থ কিছু রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান ক্রেডিট মবিলিয়ার কোম্পানির থেকে কমদামে স্টক কেনে। কোম্পানিটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় রেলপথ নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত ছিল। পরবর্তীতে কংগ্রেসম্যানরা কোম্পানির অনুকূলে ভর্তুকি এবং অন্যান্য বরাদ্দের পরিমাণ বাড়িয়ে দেন। এর উদ্দেশ্য ছিল কেবল নিজেদের পকেট ভরা।

 পেট্রিকোট অ্যাফেয়ার:
এটি প্রায় ভুলতে বসা একটি কেলেঙ্কারির ঘটনা, যা কিনা যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বিখ্যাত প্রেসিডেন্ট এন্ড্রু জ্যাকসনের সময় ঘটেছিল। এর শুরুটা হয়েছিল জ্যাকসনের যুদ্ধবিষয়ক মুখপাত্র জন হেনরি এটনের বিয়ের মাধ্যমে। তিনি মার্গারেট টিম্বারলেক নামে একজন সদ্যবিধবাকে বিয়ে করেছিলেন, যার স্বামী কিছুদিন আগেই আত্দহত্যা করেছেন। বিয়েটি যুক্তরাষ্ট্রের অভিজাত সোসাইটির একটি বিশেষ দিকের ব্যাপারে সবার আঙ্গুল তাক করে। কারণ জোর গুজব ছিল বিয়ের আগে থেকেই এটনের সঙ্গে টিম্বারলেকের অবৈধ সম্পর্ক ছিল এবং এই অবৈধ সম্পর্কের কারণেই টিম্বারলেকের স্বামী আত্দহত্যা করতে বাধ্য হয়েছিলেন। নিয়ে যখন জল্পনা-কল্পনা তুঙ্গে, তখন প্রেসিডেন্ট এন্ড্রু জ্যাকসনের মন্ত্রিসভার অধিকাংশ সদস্য এটনের বিরুদ্ধে চলে যায়। কিন্তু এরপরও এন্ড্রু জ্যাকসন এটনকে সমর্থন দিলে বিতর্কের জন্ম হয় এবং এটনের মন্ত্রিসভার অধিকাংশ সদস্য এর ফলে পদত্যাগ করেন। জনসন এরপরও এটনকে সমর্থন দিয়ে গেছেন, যেটি ইতিহাসে একটি বিতর্কিত বিষয় হিসেবে রয়ে গেছে। পুরো বিষয়টি পেট্রিকোট অ্যাফেয়ার নামে পরিচিত।

অ্যান্ড্রু জ্যাকসনের বিয়ে:
প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে ১৯৭১ সালে অ্যান্ড্রু জ্যাকসন র্যাচেল ডোনেলসন নামক এক মহিলাকে বিয়ে করেছিলেন। তার আগেও বিয়ে হয়েছিল এবং ধারণা করা হয়েছিল যে আইনসম্মতভাবে তার বিয়ে বিচ্ছেদ হয়েছে। কিন্তু জ্যাকসনের সঙ্গে বিয়ের পর তিনি দেখলেন ঘটনা আসলে তা নয়। র্যাচেলের স্বামী তার স্ত্রীর ব্যভিচারের বিরুদ্ধে আইনগত অভিযোগ উত্থাপন করেন। তখন জ্যাকসন আবিষ্কার করেন র্যাচেলের আইনসম্মতভাবে বিয়ে বিচ্ছেদ হয়নি। সে ক্ষেত্রে জ্যাকসন র্যাচেলকে বৈধভাবে বিয়ে করার জন্য ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতো। যদিও এটি ছিল প্রায় ৩০ বছরের পুরনো একটি ঘটনা, এরপরও ১৮২৮ সালের নির্বাচনে ঘটনাটি তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়। পরবর্তীতে র্যাচেলের অকাল মৃত্যুর জন্যও অ্যান্ড্রু জনসনকে দায়ী করা হয়।

গ্রোভারের অবৈধ সন্তান:
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থিতার সময় থেকেই গ্রোভার ক্লেভল্যান্ডকে একটি কলঙ্কের বোঝা মাথায় বয়ে বেড়াতে হয়েছে। পরবর্তীতে প্রকাশ পায় যে মারিয়া সি হপলিন নামের এক বিধবার সঙ্গে গ্রোভার ক্লেভল্যান্ডের সম্পর্ক ছিল এবং তাদের একটি সন্তানও হয়েছিল। মহিলা দাবি করেন ক্লেভল্যান্ডই শিশুটির পিতা এবং তিনি ছেলেটির নাম রেখেছিলেন অস্কার ফুলসোম ক্লেভল্যান্ড। গ্রোভার ক্লেভল্যান্ড অবশ্য শিশুটির পিতৃত্ব অস্বীকার করেননি। শিশুটিকে তিনি একটি এতিমখানায় পাঠিয়ে দেন। পুরো ব্যাপারটিতে ক্লেভল্যান্ডের সততা সত্যবাদিতা ছিল চোখে পড়ার মতো। তখন মার্কিন নির্বাচনে ক্লেভল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘটনাটিকে ব্যবহার করা হলেও শেষ পর্যন্ত তিনিই বিজয়ী হন।

 উড্রো উইলসনের প্রেম:
মার্কিন প্রেসিডেন্টদের কেলেঙ্কারির যত ঘটনা আছে, তার মধ্যে যৌনবিষয়ক ঘটনা কম ছিল না। কল্যাণমূলক ভাবনা প্রথম বিশ্বযুদ্ধে বিশেষ ভূমিকা রাখা মার্কিন প্রেসিডেন্ট সমাজবিজ্ঞানী উড্রো উইলসনও কেলেঙ্কারির বাইরে ছিলেন না। তবে তার ক্ষেত্রে বিষয়টি মোটেও যৌন বা এরকম কিছু ছিল না। এটি ছিল কেবলই একটি এনগেজমেন্টের ঘটনা। তার প্রথম স্ত্রী এলেন লুইস অ্যাসন ১৯১৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন। এর পরের বসন্তে উড্রো উইলসনের সঙ্গে এডি গাল্টের দেখা হয় এবং দুজনের মধ্যে একটি হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়। এমনকি ধারণা করা হয়, তাদের এনগেজমেন্ট পর্যন্ত হয়ে গিয়েছিল। তবে বিতর্কের সূত্রপাত ছিল এখানে যে স্ত্রী থাকাকালীন থেকেই তাদের মধ্যে সম্পর্ক ছিল। পরবর্তীতে সেটাকে শুধু জনসমক্ষে আনা হয়। অনেকের ধারণা, গাল্টকে বিয়ে করার জন্য প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন তার প্রথম স্ত্রীকে হত্যা করেছিলেন।

জন এফ কেনেডি:
মার্কিন প্রেসিডেন্টদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুজব ছড়িয়েছে সম্ভবত জন এফ কেনেডির সময়। তার সময়ে ট্যাবলয়েড পত্রিকার গুজবগুলো সম্পর্কে কম-বেশি সবারই জানা আছে। তাকে সব সময়ই নারীঘেঁষা পুরুষ বলে মানা হতো। ১৯৫৩ সালে জ্যাকুলিনকে বিয়ে করার আগ পর্যন্ত কেনেডির গার্লফ্রেন্ডের কোনো লাগাম ছিল না। অবশ্য বিয়ের পরও অন্য নারীর প্রতি কেনেডির দৃষ্টির কোনো পরিবর্তন হলো না। তিনি মহিলাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চাইতেন এবং তাদের হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণও জানাতেন। তবে তার সময়ে বড় কোনো কেলেঙ্কারির ঘটনা ওইভাবে প্রকাশ না পেলেও তার এই ছোক ছোক স্বভাবের কথা অল্প সময়ের মধ্যেই চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং আলোচনার জন্ম দেয়।



 






 


 


 

 


 



 


Thursday, 22 November 2012

অনলাইন আর্নিং অবাস্তব কিছু নয়


অনলাইন আর্নিং এখন আর অবাস্তব কিছু নয় এবং এর অনেক পথই খোলা আছে। তবে কিছু কিছু ভাই বুঝে হোক না বুঝে হোক আর সঠিক আরনিং সাইট না চিনেই হোক স্কাম বা ভুয়া সাইটের লোভনীয় আয়ের প্রচার চালিয়ে যেমন নিজেও হয়রান এবং বিভ্রান্ত হন, তেমনি আমাদেরও রীতিমত ধোকায় ফেলে দেন। তাই আমি আজ আসল অনলাইন আরনিং সাইটের পরিচয় পদ্ধতি সম্পর্কে বলবো যাতে কেউ প্রতারিত না হন। আর আপনি চাইলেই অনলাইন থেকে আর্ন করতে পারবেন, তা ১০০% নিশ্চিত?
প্রকৃত আরনিং সাইটের প্রথম বৈশিষ্ট্যই হলসাইট কর্তৃপক্ষ এবং আয়কারীদের সাথে বিভিন্নভাবে যোগাযোগস্থাপন হয়ে থাকে। এমনকি সেই সাইটের ফোরামের মাধ্যমে বা FAQ এর মাধ্যমে তারা তাদের প্রশ্নোত্তর সদস্যদের নানা সমস্যার সমাধান দিয়ে থাকে। আয়কারী সদস্যরাও তাদের মতামত-পরামর্শসহ লেখালেখির সুযোগ পান; মানে জবাবদিহিতা আছে মানে যাকে বলে ইন্টারেক্টিভ সাইট। ফলে কোন সন্দেহ, বিভ্রান্তি যেমন থাকেনা তেমনি সেই সাইটের সদস্যও দ্রুত বেড়ে যায় এবং লেনদেনের অস্বচ্ছতাও থাকে না। পেমেন্টও নিশ্চিত থাকে। অন্যদিকে স্কাম বা ভূয়া সাইটের প্রথম কাজই হলকাউকে ধরা না দেয়া বা কারো প্রশ্নের কোনরকম জবাব না দেয়া আর জবাবদিহিতা কোন পেমেন্টের তো প্রশ্নই আসেনা। শুধু সাইটের কিংবা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমেই অবাস্তব অফার দেয়া এবং লোভ দেখানো; বড়কথা ওসব সাইটে কোন ফোরাম থাকেনা বা FAQ পদ্ধতিও নেই।
সঠিক প্রকৃত আরনিং সাইটের আয় সামান্যই হয়ে থাকে স্মরন রাখবেন গুগল এডসেন্স থেকে আয় হয় সত্য, তবে বড় ঝামেলার। আপনার থাকতে হবে একটা ওয়েবসাইট, যা গুগল থেকে বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য অনুমোদিত হতেই হবে। অনুমোদন পাওয়া অনেক কঠিন, আমি মাস যাবত আমার ওয়েবসাইট সাবমিট করেও এখনও অনুমোদন পাইনি। অনুমোদন পেলে তারা আপনার সাইটে নিয়মিত বিজ্ঞাপন সরবরাহ করবে এবং আপনার পাঠক যদি কোনো বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে নির্দিষ্ট সময় ধরে ভিজিট করে, তবেই আপনার একাউন্টে , বা /১০ সেন্ট ক্ষেত্রবিশেষে / ডলার পর্যন্ত জমা হবে। তাও আবার আপনি নিজে কিন্তু কোন এডে ক্লিক করতে বা কাউকে সাহিত করতে পারবেন না। শর্ত ভাংলেই একাউন্ট বাতিল বা ব্লক হবে।
তবে যাদের সাইট নেই তারা কি আয় করবেন না? অবশ্যই করবেন এবং এজন্য আছে PTC (paid to click/paid per click) পদ্ধতি। এটা সবচে সহজ পদ্ধতি। কারন অধিকাংশ সাইট প্রতিক্লিকে -১০ সেন্ট পর্যন্ত পে করে। তবে আমি আপনাদের কিছু টেকনিক জানাবো যাতে PTC’ মাধ্যমেই ভাল আয় করতে পারেন প্রথমেই আপনাকে একটি payza, libertyreserve or Paypal .
এখন আয় করতে চাইলে আপনাকে ভালো PTC সাইট খুজে বের করতে হবে। নেট- অনেক PTC সাইট আছে যার অধিকাংশই Scam site যা আগেই বলেছি। এই সাইটে ভালো বিশ্বস্ত সাইটের অনেক লিঙ্ক আছে, সেখান থেকে পছন্দমত সাইট বেছে নিয়ে সাইন আপ করে কাজ শুরু করে দেখতে পারেন।
সাইটে দেয়া বামপার্শ্বের Legit ডানপাশের Elite সাইটগুলো অথবা পছন্দমত সাইটে রেজিষ্ট্রেশনের পর লগ ইন করে কাজ শুরু করুন। আমি একটা সবচে ভালো সাইটের উদাহরন দিচ্ছি কিভাবে কী করতে হবে। আপনি এই লিঙ্কে গিয়ে আগে নিবন্ধন লগইন করলে এই সাইটে View Advertisements দেখতে পাবেন, সেখানে ক্লিক করে পেজটি ওপেন করলে দেখতে পাবেন আপনার জন্য কিছু এড আছে যেগুলো আপনাকে ভিজিট করতে হবে। একটা এডের ওপর ক্লিক করলে ছোটো লাল গোলচিন্হ আসবে, যার ওপর ক্লিক করলেই এডটি ভিন্ন ট্যাবে ওপেন হবে। কিছুক্ষন ওয়েট করলেই মেসেজ আসবে যে, Advertisement validated! $0.001 were credited in your account.
এভাবে হলুদ তারকাওলা সব এড ভিজিট করুন। ১০/১২টা সাইটের সব এড দেখতে ঘন্টার মত লাগবে। অন্য সাইটগুলোর আপনার একাউন্টে আরনিং এরিয়া বা ভিউ এড বা ব্রাউজ এড অপশনে ক্লিক করলেই দেখবেন এডভারটাইজমেন্ট হেয়ার লিখিত যার নিচে কিছু রেডি এড আছেযা আপনাকে ক্লিক করে কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে আয় করার জন্য। আরনিং দেখতে হলে মাই একাউন্টে ক্লিক করলে তা দেখা যাবে। আপনি এভাবে প্রতিদিন ১০/১২টি সাইটের এড ভিজিট করে মাসের শেষে আপনার কিছু ডলার জমা হবে যা এলার্টপের মাধ্যমে ক্যাশ করতে পারবেন। পেপল একাউন্ট এদেশে চালু নেই, কাজেই যারা পেপলের মাধ্যমে টাকা পাবেন বলে প্রচার করেতারা অবশ্যই ভুয়া মিছেকথা প্রচার করে, তা নিশ্চিত জানবেন।
তবে আয় বাড়াতে তাহলে কী করতে হবে? আপনার রেফারেল বানাতে বাড়াতে হবে অথাআপনার মাধ্যমে আরো অনেককে সাইটে জয়েন করাতে হবে। উপরোক্ত সাইটগুলোর Banner বা Promotion tools- আপনার রেফারেল লিংক পাবেন, এই লিংকটা বিভিন্ন ফোরাম, ব্লগ, সামাজিক নেটওয়া্র্ক সাইটে দি্য়ে অন্যদের জয়েন করতে ইনভাইট করুন। প্রতিদিন এজন্য আরো ৩০/৪০ মিনিট কাজ করুন। মাসে আপনি ১০০ বা আরো বেশী রেফারেল বানাতে পারলে আপনার ইনকাম অনেক বেড়ে যাবে।
PTC থেকে ভাল আয় করার সবচে গুরুত্বপুর্ন একটা টেকনিক আছে, সেটা হল রেন্ট রেফারেল। আপনি রেফারেল ভাড়া নিতেও পারবেন। আপনার আয়ের একটা অংশ রেন্ট রেফারেল এর জন্য ব্যয় করতে পারেন বেশী ইনকামের স্বার্থে। একাজে ইনভেষ্টও করতে পারেন আপনার এলার্টপেতে ডলার জমা থাকলে। নিওবাকস সাইটে আপনার ইউজারনেম- ক্লিক করলে রেফারেল ট্যাব পাবেন, রেফারেল- ক্লিক করলে আপনি রেন্ট রেফারেল অপশন পাবেন। ১০০ জনকে রেন্টের জন্য ১মাসে ২০ ডলার খরচ লাগবে মাসিক। আপনি যদি ১০০ জনকে রেন্ট বা ভাড়া করেন তাহলে ১০০ জনের আয়ের একটা পারসেন্টেজ আপনিও পাবেন। ফলে আপনার ইনকাম খুব দ্রুত বেড়ে যাবে। এভাবে ১০/১২টা সাইট থেকে কয়েক মাস পর মাসিক ৩০০ থেকে ১০০০ ডলার পর্যন্ত আয় করা অসম্ভব নয় মোটেই। সুতরাং প্লান নিয়ে আজই নেমে পড়তে পারেন।
**সতর্কতাজেনুইন আরনিং সাইট থেকে একটা পিসির মাধ্যমে একটার বেশি একাউন্ট করলেই কিন্তু ব্লক হয়ে যাবেন এবং সব আয় বাতিল হয়ে যাবে মনে রাখবেন।। (সংগৃহীত)
জেনুইন আরনিং সাইট

email heak


File beakup


Motherbord information


Tuesday, 13 November 2012

মোবাইল ডিকশেনারি

Get মোবাইল ডিকশেনারি:

কেন ব্যাবহার করবেন

ইংলিশ পেপার পড়ে  ইংলিশ শিখতে চান, কিন্তু ওয়ার্ড না বুজায় আটকাইয়া যান।।
) পরীক্ষার হলে সিনোনিম , এনটীনিম কুশেচেনের এন্সার করতে পারেন না………
)  খালি বানান ভুল করেন আর স্যার বা বসের ঝাড়ী খান
) ওয়ার্ড প্রেক্টিস করতে চান
)যারা টিউশিনি করেন তাদের জন্য তো বাধ্যতামূলক একটা মোবাইল ডিকশনারী দরকার
)যারা IELTS TOFEL কোর্স করছেন……
ডিকশনারি শব্দটির সাথে আমরা সবাই কম বেশি পরিচিত। ডিকশনারি মানে অভিধান। বাজারে অনেক ভাষার ডিকশনারি কিনতে পাওয়া যায়। ডিকশনারিগুলো স্বভাবগত ভাবে বেশ বড়, মোটা ভারী হয়ে থাকে। ফলে তা বাইরে সাথে করে নিয়ে যাওয়া মোটেও সুখকর নয়। ডিকশনারি হল এমন একটা জিনিস যা সর্বদা কাছে রাখা যায় কিন্তু এই বড় মোটা ভারী কাগজের ডিকশনারি সাথে করে নিয়ে বেড়ানো কষ্টকর আবার তাতে শব্দ খুঁজাও ঝামেলার। তাই ডিকশনারি ডিজিটাল সংস্করণ বের করা হয়েছে। আবার কম্পিউটারেও ডিকশনারি বিভিন্ন সফটওয়ার বের করা হয়েছে। তবে বর্তমান সময় সকল অভিধানকে পিছনে ফেলে দিয়েছে মোবাইল ডিকশনারি। কারন প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে মোবাইল ফোন যেন আমাদের সবচেয়ে কাছের বন্ধু। এবং সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে  হয়ে ওঠেছে  আমাদের জীবন যাপনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
এই সফটওয়ারগুলো আপনি আপনার মোবাইলে ইন্সটল করার মাধ্যমে সহজেই যেখানে সেখানে ডিকশনারির ব্যবহার করতে পারবেন।
সাধারণত মোবাইলে কোন এপ্লিকেশন ইন্সটল করতে গেলে কম্প্যাবিলিটি নিয়ে সমস্যা দেখা দেয় মানে সকল মডেলের মোবাইল ফোনে সকল ধরণের সফটওয়্যার ইন্সটল হয় না। আমার দেওয়া এই সফটওয়্যারটগুলো সকল ব্র্যান্ডের জাভা সমর্থিত মোবাইলফোনেই চলে তাই এটি ব্যবহার স্বস্তিদায়ক।
মোবাইলে বাংলা   ইংলিশ ডিকশনারী থাকলে বিভিন্ন সময় তা আমাদের প্রয়োজনে সাহায্য করতে পারে। অত্যন্ত ব্যবহারবান্ধব এই ডিকশনারীগুলো আপনি ডাউনলোড করে আপনার মোবাইল ফোনে ইন্সটল করে নিতে পারেন।

অক্সফোর্ড ( Oxford) ডিকশনারীঃ

নিচের অক্সফোর্ড ডিকশনারী গুলো সম্পর্কে আমার বলার কিছু নাই যা বুঝার আপনারা বুঝে নেন………।।
Oxford  .jar
Download link:–>
http://www.mediafire.com/?3x2t56v1g79mc9j
Oxford  ConciseEnglish .jar
Download link:–>
http://www.mediafire.com/?mdwcx5gf3yrx993
Oxford Thesaurus (Register with any key).jar
Download link:–>
http://www.mediafire.com/?92llej2o4l9s6jt
Oxford  Business.v2.14..jar
Download link:–>
http://www.mediafire.com/?scuq0pw8hhc9a2h
Oxford  Idioms.v2.14.0.jar
Download link:–>
http://www.mediafire.com/?nnhugvesd6p87mq
Oxford  Medical.Dictionary.v2.14.0..jar
Download link:–>
http://www.mediafire.com/?vcmbufhw58s2pd5

নমুণা সফটওয়্যারের মেয়াদ


নানা কারণে আমরা কম্পিউটারে বিভিন্ন সফটওয়্যারের নমুণা বা ট্রায়াল সংস্করণ ব্যবহার করি। নির্দিষ্ট মেয়াদের পর ট্রায়াল সফটওয়্যার আর ব্যবহার করা যায় না। টাইম স্টপার নামের একটি সফটওয়্যারের সাহায্যে আপনি ট্রায়াল সফটওয়্যারের নির্দিষ্ট মেয়াদকে বেঁধে রাখতে পারবেন, যার ফলে যত দিন ইচ্ছে ট্রায়াল সফটওয়্যার ব্যবহার করা যাবে। মাত্র ৯৩৭ কিলোবাইটের ছোট এই সফটওয়্যারটি http://bit.ly/hVjt1H ঠিকানা থেকে নামিয়ে নিন। এরপর জিপ ফাইলটি ওপেন করে সফটওয়্যারটি ইনস্টল করুন। এখন টাইম স্টপার চালু করে যে সফটওয়্যারটির ট্রায়াল সংস্করণের মেয়াদকে বেঁধে রাখতে চান, সেটির প্রোগ্রাম ফাইলে যান এবং যে অপশনে ক্লিক করলে সফটওয়্যারটি চালু হয়, সেটি নির্বাচিত করুন। যেমন ধরুন, আপনার পিসির সি ড্রাইভে হিরো সুপার প্লেয়ার রয়েছে, তাহলে এটিকে নির্বাচিত করার জন্য C:\HEROSOFT\Hero Super Player\ STHSVCD.exe-এ ক্লিক করতে হবে। এরপর Choose new date লেখা বক্সে ওই সফটওয়্যারটির মেয়াদ থাকাকালীন সময়ের মধ্যে একটি তারিখ নির্বাচন করুন। যেমন, সফটওয়্যারটির ট্রায়াল সংস্করণের মেয়াদ শেষ হবে ৩০ ডিসেম্বর ২০১০, তাহলে ৩০ ডিসেম্বরের আগে যেকোনো একটি তারিখ নির্বাচন করুন। সবশেষে নির্দিষ্ট বক্সে সফটওয়্যারটির নাম লিখে Create desktop icon অপশনে ক্লিক করলে ওই নামের একটি আইকন ডেস্কটপে আসবে। এখন থেকে সফটওয়্যারটি চালু করার জন্য এই আইকন ব্যবহার করুন। তাহলেই ওই সফটওয়্যারটি যত দিন খুশি ব্যবহার করতে পারবেন। তবে ট্রায়াল সফটওয়্যারের প্রোগ্রাম ফাইল বা আসল আইকন ব্যবহার করলে আগের নিয়মে নির্দিষ্ট সময়েই এর মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে