Welcome to my information site

Best information site

Saturday, 20 October 2012

Inportant Information For you:


Inportant  Information For you:

Wednesday, 10 October 2012

মুয়াম্মর আল-গাদ্দাফি (জীবন)


মুয়াম্মর আল-গাদ্দাফি:

মোয়াম্মার আল গাদ্দাফী বা মোয়াম্মার আবু মিনিয়ার আল-গাদ্দাফী ( আরবি ভাষায়: معمر القذافي Muʿammar al-Qaḏḏāfī এই শব্দ audio (সাহায্য · তথ্য); জন্ম:৭ই জু্ ১৯৪২ - মৃত্যু:২০ অক্টোবর ২০১১), পরিচিত কর্নেল গাদ্দাফী, ১৯৬৯ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্তলিবিয়ার নেতা

প্রাথমিক জীবন:

মোয়াম্মার আল গাদ্দাফী ৭ই জু্, ১৯৪২ সালে সিরত শহরের এক যাযাবর বেদুইন পরিবারে। অন্যসব লিবিয়ান শিশুর মতো তিনিও শৈশবে ঐতিহ্যগত ধর্মীয় শিক্ষা লাভ করেন। এরপর তিনি ১৯৫৬ সাল থেকে ১৯৬১ সাল পর্যন্ত ফেজান এর সাবহা প্রিপারেটরি স্কুলে অধ্যয়ন করেন। সেখানে অধ্যয়ন কালে তিনি এবং তাঁর কতিপয় বন্ধু সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে লিবিয়ার শাসন ক্ষমতা দখল করার পরিকল্পনা করেন কিন্তু তাঁর পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হওয়ার আগেই ১৯৬১ সালে রাজনৈতিক কর্মকান্ডে সক্রিয়তার অভিযোগে তাঁকে সাবহা থেকে বহিষ্কার করা হয়
সাবহা থেকে বহিষ্কৃত হয়ে তিনি বেনগাজীর তত্কালীন ইউনিভার্সিটি অব লিবিয়াতে (পরবর্তীতে যেটা বেনগাজীর আল ক্বারিউনেস এবং ত্রিপলীর আল ফাতাহ এই দুই ইউনিভার্সিটিতে বিভক্ত হয়ে যায়) ভর্তি হন এবং উচ্চ শিক্ষা লাভ করেন। এরপর ১৯৬৩ সালে তিনি বেনগাজীর সামরিক পরিষদে যোগদান করেন। সেখানে তিনি এবং তার অনুগত কতিপয় সামরিক কর্মকর্তা লিবিয়ার পশ্চিমমুখী রাজতন্ত্রকে (সেনুসী রাজতন্ত্র) খাত করার জন্য একটি গোপন দল গঠন করেন। ১৯৫৬ সালে তিনি উচ্চ প্রশিক্ষণের জন্য ব্রিটেনে যান এবং ১৯৬৬ সালে কমিশন প্রাপ্ত অফিসার পদে উন্নীত হয়ে লিবিয়ায় ফিরে আসেন
১৯৬৯ সালের পহেলা সেপ্টেম্বরে, যখন কালীন রাজা মোঃ ইদ্রীস আল সেনুসী তার শারীরিক অসুস্থার জন্য তুরস্কে সফরে গিয়েছিলেন, তখন মাত্র ২৭ বছর বয়সী কর্ণেল মোয়াম্মার আল গাদ্দাফী তার অল্প কয়েকজন সামরিক অফিসারের সহায়তায় রাজধানী ত্রিপলীতে এক প্রতিরোধহীন এবং রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানের মাধ্যমে লিবিয়ার শাসন ক্ষমতা দখল করেন। গাদ্দাফীর সকল কাজে তাকে পূর্ণ সহযোগিতা করেছিলেন গাদ্দাফীর ঘনিষ্ঠ বন্ধু মিসরের তত্কালীন প্রেসিডেন্ট জামাল আব্দুল নাসের। নাসেরের মৃত্যুদিবস এখনও লিবিয়াতে সরকারি ছুটির দিন হিসেবে পালিত হয়
এর অল্প পরেই তার এবং তার অল্প বয়সী সামরিক কর্মকর্তাদের সাথে অপেক্ষাকৃত সিনিয়র অফিসারদের এবং কিছু প্রভাবশালী বেসামরিক নাগরিকের সাথে ক্ষমতা নিয়ে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। সকল দ্বন্দ্ব নিরসন করে ১৯৭০ সালের জানুয়ারি মাসে গাদ্দাফী একজন সফল শাসক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। সাবেক রাজা আমীর ইদ্রীস আল সেনুসীকে তুরস্ক থেকে মিসরে নির্বাসন দেওয়া হয়। তিনি ১৯৮৩ সালে নির্বাসিত অবস্থায় মিসরে মৃত্যুবরণ করেন
মোয়াম্মার আল গাদ্দাফীর সন্তান-সন্ততি আট জন। এদের মধ্যে সাতজন ছেলে এবং একজন মেয়ে। তার আরেকটি মেয়ে ১৯৮৬ সালে তার বাড়িতে মার্কিন বিমান হামলায় মৃত্যুবরণ করে। গাদ্দাফীর বড় ছেলে মোহাম্মাদ গাদ্দাফী লিবিয়ান অলিম্পিক কমিটি এবং তাঁর দ্বিতীয় ছেলে সা গাদ্দাফী লিবিয়ান ফুটবল ফেডারেশন পরিচালনা করছেন। সা' নিজেও একজন বেশ ভালো ফুটবলার এবং তিনি লিবিয়ার জাতীয় দলে খেলেন। তাঁর তৃতীয় পুত্র সাইফ আল ইসলাম একজন চিত্রশিল্পী এবং একটি চিকিসালয় এর পরিচালক। তাঁর একমাত্র কন্যা আয়েশা গাদ্দাফী একজন আইনজীবী এবং তিনি ইরাকের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হুসেইনের পক্ষে আইনী লড়াই করে বেশ আলোচিত হয়েছিলেন। এছাড়া দেশের ভেতরে শিক্ষা-স্বাস্থ্য প্রভৃতি জনকল্যাণমূলক কাজে তিনি আত্মনিবেদিত। তার অপর তিন ছেলে আল মুতাস্সীম, হানওয়ীল এবং খামীস এখনও অখ্যাত। সম্প্রতি ২০০৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তাঁর ষষ্ঠ পুত্র হানওয়ীল প্যারিসে পুলিশি ধাওয়ার শিকার হন
গত এক দশক আগেও মোয়াম্মার আল গাদ্দাফীর সাথে পশ্চিমা বিশ্বের সম্পর্ক ছিল রীতিমত সাপে-নেউলে। কিন্তু সম্প্রতি তাঁর মধ্যে নীতিগত ভাবে বেশ উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলার পর তিনিই প্রথম এর বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানান। ২০০২ সালে তিনি ১৯৮৮ সালে স্কটল্যান্ডের লকারবির আকাশে মার্কিন বিমানের উপর বোমা বিস্ফোরণের জন্য প্রকাশ্যে জনগণের কাছে ক্ষমা চান এবং এর জন্য বিপুল অংকের ক্ষতিপূরণ প্রদান করেন। ২০০৩ সালে মার্কিনীদের হাতে সাদ্দাম হুসেইনের পতনের পর তিনি স্বেচ্ছায় তাঁর সকল গণ বিধ্বংসী অস্ত্র কর্মসূচী বাতিল করার কথা ঘোষণা করেন
মোয়াম্মার আল গাদ্দাফী রচিত অমর গ্রন্থ হল কিতাবিল আখদার বা দ্যা গ্রীন বুক বা সবুজ গ্রন্থ। এটি ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয়। তিন খন্ডে প্রকাশিত এই গ্রন্থে সমাজ এবং রাষ্ট্র সংক্রান্ত বিভিন্ন জটিল সমস্যা সমাধানে তাঁর নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি ব্যক্ত হয়েছে। এটিই মূলত লিবিয়ার সংবিধান
ইংরেজিতে মোয়াম্মার আল গাদ্দফীর নামের বানান নিয়ে যথেষ্ট বিতর্ক রয়েছে। ২০০৪ সালের মার্চ মাসে London Evening Standard পত্রিকায় তাঁর নামের উপর একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সেখানে সম্ভাব্য ৩৭টি বানানের কথা উল্লেখ করা হয়

অসিয়তনামা

মৃত্যুর আগে গাদ্দফি একটি অসিয়তনামা রেখে যান। আরবীতে লেখা অসিয়তনামার বঙ্গানুবাদ এরকম: “এটা আমার অসিয়তনামা। আমি মুয়াম্মার বিন মোহাম্মদ বিন আবদুস সালাম বিন হুমায়ুদ বিন আবু মানিয়ার বিন হুমায়ুদ বিন নায়েল আল ফুহসি গাদ্দাফি, শপথ করছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো প্রভু নেই এবং মোহাম্মদ (.) তার নবী। আমি প্রতিজ্ঞা করছি, আমি মুসলিম হিসেবেই মরব। নিহত হলে, আমি চাই আমাকে যেন মুসলিম রীতি অনুযায়ী সমাহিত করা হয়। মৃত্যুর সময় যে কাপড়ে থাকব সে কাপড়েই এবং শরীর না ধুয়েই সিরতের গোরস্থানে যেন সমাহিত করা হয়, আমার পরিবার আত্মীয়দের পাশে। আমি চাই, আমার মৃত্যুর পর আমার পরিবার বিশেষ করে নারী শিশুদের সঙ্গে যেন ভালো ব্যবহার করা হয়। লিবিয়ার জনগণের উচিত তাদের আত্মপরিচয়, অর্জন, ইতিহাস এবং তাদের সম্মানিত পূর্ব পুরুষ বীরদের ভাবমূর্তি রক্ষা করা। লিবিয়ার জনগণের উচিত হবে না, স্বাধীন শ্রেষ্ঠ মানুষদের ত্যাগের ইতিহাস বিসর্জন দেওয়া। আমার সমর্থকদের প্রতি আহ্বান, তারা যেন সব সময়ের জন্য আগ্রাসী শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করে। বিশ্বের সব স্বাধীন মানুষকে জানিয়ে দাও, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা সুস্থির জীবনের জন্য আমরা যথেষ্ট দরকষাকষি করেছি এবং সামর্থ্য খাটিয়েছি। এর বিনিময়ে আমাদের অনেক কিছু দিতে চাওয়া হয়েছিল কিন্তু এই সংঘাতের সময় দায়িত্ব সম্মানের রক্ষাকারী হিসেবে দাঁড়ানোকেই আমরা বেছে নিয়েছি। যদি আমরা তাক্ষণিকভাবে বিজয়ী নাও হই তবু আমরা আমাদের ভবিষ্যপ্রজন্মকে এই শিক্ষা দিয়ে যেতে পারব, জাতিকে রক্ষা করার দায়িত্ব বেছে নেওয়া হল সম্মানের আর এটা বিক্রি করে দেওয়ার মানে সবচেয়ে বড় বিশ্বাসঘাতকতা। যে দায়িত্ব বেছে নিলে ইতিহাস চিরকাল মনে রাখবে।

তথ্যসূত্র:

  1. The Prosecutor v. Muammar Mohammed Abu Minyar Gaddafi, Saif Al-Islam Gaddafi and Abdullah Al-Senussi. ICC-01/11-01/11. প্রকাশকInternational Criminal Court. 4 July 2011 সংগৃহীত হয়েছে: 3 September 2011.
  2. Salak, Kira. National Geographic article about Libya. প্রকাশক: National Geographic Adventure.
  3. How are you supposed to spell Muammar Gaddafi/Khadafy/Qadhafi?. প্রকাশক: The Straight Dope. 1986 সংগৃহীত হয়েছে: 5 March 2006.
  4. গাদ্দাফির শেষ ইচ্ছে

সাদ্দাম হুসাইন (জীবনী)


সাদ্দাম হুসাইন:

সাদ্দাম হোসেন আবু আল মাজিদ আল তিকরিতি (আরবি: صدام حسين التكريتي addām usayn ʿAbd al-Majīd al-Tikrītī (এপ্রিল ২৮, ১৯৩৭- ডিসেম্বর ৩০, ২০০৬) ইরাকের সাবেক রাষ্ট্রপতি। তিনি জুলাই ১৬, ১৯৭৯ থেকে এপ্রিল , ২০০৩ নাগাদ ইরাকের রাষ্ট্রপতি ছিলেন

জীবনী:

রথমে সাদ্দাম হোসেন জেনারেল আহমেদ হাসান আল বাকরের উপ-রাষ্ট্রপতি ছিলেন। সেই সময় সাদ্দাম দৃঃঢ় ভাবে সরকার সামরিক বাহিনীর মধ্যকার বিরোধের অবসান ঘটান। এই উদ্দেশ্যে তিনি নিরাপত্তা বাহিনী গঠন করেন। ইরাকের রাষ্ট্রপতি বাথ পার্টির প্রধান হিসেবে সাদ্দাম হোসেন আরব জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে ধর্ম নিরপেক্ষ আধুনিক ইরাক গড়ে তুলতে প্রয়াস নেন। সাদ্দাম এক দলীয় শাসন কায়েম করেন। এসময়ই সাদ্দাম ইরাণের সাথে বছরের যুদ্ধে জড়িয়ে পরেন (১৯৮০-১৯৮৮) ইরাক-ইরাণ যুদ্ধের পরে ১৯৯১- সাদ্দাম উপসাগরীয় যুদ্ধে জড়িয়ে পরেন। সাদ্দাম তার মতে ইরাকের স্থিতিশীলতার বিরুদ্ধের সকল পক্ষকে নির্মুল করার উদ্যোগ নেন। এই বিরুদ্ধ পক্ষে ছিল উপজাতীয় ধর্মীয় গোত্র গুলো যারা স্বাধীনতা দাবি করছিল। যেমন, ইরাকি শিয়া মুসলমান, কুর্দি, ইরাকি তুর্কি জনগন। ২০০৩ সালে যুক্তরাজ্যের নেতৃত্বে কতিপয় আন্তর্জাতিক রাষ্ট্র ইরাক আক্রমণ করে। তারা এই যুক্তি দেখিয়ে আক্রমণ করে যে, সাদ্দাম ব্যাপক ধ্বংসাত্বক জীবানু অস্ত্র তৈরি করছেন (যদিও যুদ্ধ পরবর্তি সময়ে এমন কোন অস্ত্রের হদিস পাওয়া যায় নাই) ১৩ ডিসেম্বর ২০০৩ সালে সাদ্দাম হোসেন আমেরিকান সেনাদের কাছে ধরা পড়েন। পরবর্তিতে আমেরিকা ইরাকি সরকারের হাতে সাদ্দাম হোসেনের বিচার করে। সাদ্দামের বিরুদ্ধে ছিল মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। ২০০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর ইরাকি সময় সকাল .০৬ মিনিটে ইরাকে সাদ্দাম হোসেনের ফাঁসি কার্যকর হয়

ইরাকের রাষ্ট্রপতি
জুলাই ১৬, ১৯৭৯ – এপ্রিল , ২০০৩ প্রধানমন্ত্রী সা'দুন হাম্মাদ
মোহাম্মাদ আমজে জুবাইদ
আহমেদ হুসাইন পূর্বসূরী আহমেদ হাসান আল বাকির উত্তরসূরী যে গারনার ইরাকের প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে
মে ১৯, ১৯৯৪ – এপ্রিল , ২০০৩ পূর্বসূরী আহমেদ হুসাইন খুদাইর উত্তরসূরী বাহার আল উলুম কার্যালয়ে
জুলাই ১৬, ১৯৭৯ – মার্চ ২৩, ১৯৯১ পূর্বসূরী য়াহমেদ হাসান আল বাকির উত্তরসূরী সি'দুন হাম্মাদ ব্যক্তিগত বিবরণ জন্ম এপ্রিল ২৮, ১৯৩৭
আল-আওজা, ইরাক মৃত্যু ডিসেম্বর ৩০, ২০০৬
কাধিমিয়া, ইরাক রাজনৈতিক দল বা'আথ পার্টি দাম্পত্য সঙ্গী সাজিদা তালফা, সামিরা শাহবানদার সন্তান উদয়
কুসায়
রাগহাদ
রানা
হালা হাসান ধর্ম সুন্নি ইসলাম

১৩ নভেম্বর, ১৯৪৮


হুমায়ূন আহমেদ

জন্ম
১৩ নভেম্বর, ১৯৪৮
কুতুবপুর গ্রাম, কেন্দুয়া, নেত্রকোনা জেলা, বাংলাদেশ
মৃত্যু
১৯ জুলাই, ২০১২ (৬৩ বছর)
নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
জীবিকা
লেখক, চলচ্চিত্র নির্মাতা
জাতীয়তা
বাংলাদেশবাংলাদেশী
জাতি
বাঙালি
শিক্ষা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, নর্থ ডাকোটা স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়(পি.এইচ.ডি)
সময়কাল
১৯৭২-২০১২
ধরণ
উপন্যাস, ছোট গল্প, প্রবন্ধ, জীবনী, কলাম, গান
উল্লেখযোগ্য লেখনী
জোছনা জননীর গল্প, নন্দিত নরকে, শঙ্খনীল কারাগার
উল্লেখযোগ্য পুরস্কার
বাংলা একাডেমী পদক
একুশে পদক
সঙ্গী
গুলতেকিন আহমেদ (১৯৭৩-২০০৩)
মেহের আফরোজ শাওন (২০০৫-২০১২)
সন্তান
নোভা, শিলা, বিপাশা, নুহাশ, নিষাদ, নিনিত
আত্মীয়
মুহম্মদ জাফর ইকবাল (ভাই)
আহসান হাবীব (ভাই)
সুফিয়া হায়দার (বোন)
মমতাজ শহিদ (বোন)
রোকসানা আহমেদ (বোন)